সাফিন শাহ আফ্রিদি রংপুর জেলার বদরগঞ্জ উপজলা থেকে তার খালাতো বোনের ঘটনা পাঠিয়েছেন। তার খালার বাড়ি একই উপজেলার খাড়গাবন্ধ গ্রামে যা বিষ্ণুপুর ইউনিয়নে অবস্থিত। ২০১৬ সালে তার খালাতো বোন শাহানাজ এস এস সি পরীক্ষা শেষ করে শ্বশুর বাড়ি যান, তার হাসবেন্ড ছুটিতে এসে তাকে নিয়ে তাদের বাড়িতে যাবার পথে কালীগঞ্জ বাজারে ভ্যান থামিয়ে গরম জিলাপি খান। একটু পরে তার ভয় লাগতে শুরু করে তবে তার স্বামী তাকে সাহস দেয়। পরের দিন তার স্বামী চলে গেলে রাতে একা ঘুমান আর মাঝ রাতে সে চীৎকার করে আর বলতে থাকে আমাকে মারবে না, আমি চলে যাবো তোমাদের ছেড়ে এটা দেখে তার মা সুরা পরে তার গায়ে ফু দিলেন। পরদিন খেয়াল করেন এসে তার গালে ঘা হয়েছে এবং রাতে একজন বুড়ো মানুষ এসে তাকে মেরেছিল যার দাগ এখনও তার শরীরে আছে যা দেখে তার মা তাকে একজন কবিরাজের কাছে নিয়ে যান। কবিরাজ তাকে বলেন তার উপর জিনের আছোর হয়েছে, কবিরাজ দেখিয়ে ফিরতে তাদের রাত ১০ টা বেজে যায়, নদী পার হবার সময় তার বোন বলতে থাকে সে আসছে, আর ভয়ঙ্কর বাতাস এবং কুকুরের ভেউ ভেউ শব্দ শুনতে পান। তার মা তাকে নিয়ে দ্রুত বাসায় ফিরে আসে এবং জানতে পারেন কবিরাজ অসুস্থ হয়ে গেছে তাই তার বাবা তাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেলেন। কোন সমস্যা ধরা পড়ে না আর কয়েকদিন পর সে মারা যায়, তার দুলাভাই এসে লাশের হাত ধরলে শরীর গরম মনে হয় তবে কেউ এটা পাত্তা দেয় না। ঘটনা জানাজানি হলে এক রাতে আফ্রিদির মা স্বপ্নে দেখেন টুপি পাঞ্জাবি পরা এক লোক এসে তাকে বলে এসব কাউকে না বলতে, বললে তাকে ও গিলে খাবে, পরদিন তার মা ও অসুস্থ হয়ে পড়ে। কি কারনে মেয়েটি মারা যায় তা কেউ জানে না, তবে শেষে জানা যায় তার ক্যান্সার হয়েছে তবে তা আগে কেন জানা গেল না?
Comments . 0