গল্পে কিশোরীর অসুস্থ কেরানী স্বপনের আচমকা সুস্থ হয়ে ওঠার রহস্য জানাতে গিয়ে তারানাথ তাঁর তরুণ বয়সের এক অলৌকিক অভিজ্ঞতার কথা শোনান; যেখানে তিনি 'নিতাইনগর' শ্মশানে উচ্চমার্গের সাধক শম্ভুনাথ মুখার্জীর সাক্ষাৎ পান এবং তাঁর সাথে শিমুলপুর গ্রামে অসুস্থ বলাই বাবুর বাড়িতে যান। সেখানে গিয়ে শম্ভুনাথ জানতে পারেন যে বলাই একজন জাতিস্মর এবং পূর্বজন্মে ১০৮টি শিশু বলিদানের চেষ্টা করায় এক সিদ্ধ সাধকের অভিশাপে সে সাত জন্ম ধরে নিজের হাতেই নিজের মৃত্যুকে আহ্বান করে আসছে। রাতে অবচেতন অবস্থায় বলাই কাপালিকের রূপ নিয়ে বেতাল জাগ্রত করে নিজের মৃত্যু ডেকে আনলে, শম্ভুনাথ বলাইকে বাঁচাতে নিজের ওপর বলাইয়ের সেই পূর্বজন্মের কাপালিক রূপ ও অভিশাপ আবাহন করে নেন, ফলে ধেয়ে আসা বেতাল বলাইয়ের বদলে শম্ভুনাথের ধারণ করা সেই কাপালিক রূপকে হত্যা করে ক্ষান্ত হয়। পরবর্তীতে জানা যায়, শম্ভুনাথ প্রকৃতপক্ষে নীলকণ্ঠ কালভৈরবের রূপ ছিলেন যিনি সমস্ত অভিশাপ নিজে শুষে নিয়েও অক্ষত থাকেন; আর সেই রাতে প্রাপ্ত বিশেষ মন্ত্র ও শিক্ষা প্রয়োগ করেই তারানাথ বর্তমানে কিশোরীর কেরানী স্বপনকে পূর্বজন্মের অভিশাপ থেকে মুক্ত ও সুস্থ করে তুলেছেন।